কথাসাহিত্যিক আবু রুশদের সাথে গপসপ
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪
আমরা কলকাতার যেখানে থাকতাম, দিলকুশা স্ট্রিট, সেখানে কবি ফররুখ আহমদও থাকতেন। আর সেখানে একটা পাঠাগার ছিল ‘দিলকুশা ইনস্টিটিউট’ নামে। ওটা আবার খুলতো সন্ধ্যার সময়ে দুঘণ্টার জন্য

দিন যায় কথা থাকে
শৈশব থেকে বই পড়ার যে অবারিত সুযোগ পেয়েছি প্রধানত তার মূলে ছিল পারিবারিক পরিবেশ। বই সংগ্রহে এবং বই পড়ায় আমার পিতার ছিল নেশাগ্রস্ততুল্য আসক্তি। বই পড়ায় আমাকে তিনি বেজায় উৎসাহিত করতেন। তার একটি ঈর্ষণীয় ব্যক্তিগত লাইব্রেরি ছিল— মুস্তাফা নূরউল ইসলাম
মার্চ ০৪, ২০১৯

যে বিরক্ত হতে চায় না ‘ঘুঘু’ তার পড়ার দরকার নাই
রওশন আরা মুক্তা একাধারে কবি, গল্পকার ও শিশুসাহিত্যিক। পেশায় গণমাধ্যমকর্মী। এবার বইমেলায় মেধাবী এ লেখকের একটি ছোটগল্পের বই বের হয়েছে। বইটির নাম, ‘ঘুঘু’। প্রকাশ করেছে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান ‘বৈভব’। আজ বিকেলেই (বুধবার) বইটি বইমেলার এসেছে। ‘ঘুঘু’ এবং সাহিত্য-টাহিত্য নিয়ে তার সঙ্গে গপসপ জুড়েছেন কবি ও কথাসাহিত্যিক আবু তাহের সরফরাজ।
ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০১৯

দিন যায় কথা থাকে
বর্তমান পর্যায়ে এসে যেহেতু আমার সময় কম এবং যেহেতু একটা বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়ে আমি পড়ি, এজন্য আমি কয়েক পৃষ্ঠা উল্টিয়ে দেখি, এটা পড়ার উপযুক্ত কিনা, এটা পড়ার জন্য আমি সময় দিতে পারব কিনা। যদি মনে হয়, উপযুক্ত, তখন পড়ি— হাসনাত আবদুল হাই
ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০১৯

দিন যায় কথা থাকে
সেই পঞ্চাশ দশকের শেষদিকে গল্প লেখা শুরু করেছিলেন জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, অদ্যাবধি লিখে চলেছেন। ষাট দশকটি যেমন বাংলা ছোটগল্পের জন্য এক বিশেষ দশক, তেমনি জ্যোতিপ্রকাশ দত্তের সৃজনশীলতারও এক উতুঙ্গকাল। ষাট দশকে জ্যোতিপ্রকাশ দত্তসহ বেশ ক’জন রাগী তরুণ মেধাবী কথাশিল্পীর আগমনে বাংলা ছোটগল্পের মেজাজ আমূল বদলে যায়
ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০১৯

ম্যঞ্চেস্টারে কবি বেলাল চৌধুরীর সাথে
অন্য দেশের নাগরিক হয়েও কলকাতার এক অজ্ঞাত কবরখানায়, জবরদখল জমির বাড়িতে, তাও কুড়ি-পচিশ টাকার ভাড়ায় বেলাল যে-ভাবে দিনযাপন করেছে তাতে মনে হয়েছে, এ ছেলে নিশ্চিত কোনও ছদ্মবেশী রাজকুমার।
জানুয়ারি ২৯, ২০১৯

দিন যায় কথা থাকে
সত্যি কথা বলতে কি, শক্তিশালী লেখকদের অভাব বর্তমানে অনুভব করি। দু’একজন ছাড়া হালে আমিতো কোনো সাকসেসফুল ঔপন্যাসিকই দেখি না। এখন সাহিত্য ক্ষেত্রে যাদের পদচারণা দেখতে পাই, তারা অধিকাংশই দৈনিক পত্রিকার কলাম লেখক। ছবি বলো, গান বলো আর সাহিত্যই বলো— এখনকার কাজে আইডেনটিটির অভাব।
জানুয়ারি ২৮, ২০১৯

দিন যায় কথা থাকে
বাংলা সাহিত্যের এক অসামান্য সৃষ্টি ‘সুর্য-দীঘল বাড়ী’ উপন্যাসের রচয়িতা আবু ইসহাকের জন্ম ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর শরীয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে। শিক্ষাজীবন সমাপ্তির পর যোগ দেন সরকারি চাকরিতে। বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শেষে ১৯৮৪ সালের নভেম্বরে অবসর গ্রহণ করেন।
জানুয়ারি ২১, ২০১৯

দিন যায় কথা থাকে
এ দেশের গাছপালা ও প্রকৃতি নিয়ে যারা লেখালেখি করেন তাদের মধ্যে দ্বিজেন শর্মার নামটি স্বতন্ত্রভাবেই উচ্চারিত হয়। কারণ, তিনি বিজ্ঞানমনস্ক, বৃক্ষ-বিশেষজ্ঞ ও ভূদৃশ্য পরিকল্পক। বৈজ্ঞানিক প্রাজ্ঞতা নিয়ে তিনি প্রকৃতিকে দেখেন। স্বভাবগতভাবেও নিভৃতচারী। জন্ম ১৯২৯ সালে সিলেটের শিমুলিয়া গ্রামে।
জানুয়ারি ১৪, ২০১৯

দিন যায় কথা থাকে
আমার কাজিন কবি ফররুখ আহমদ যেই শুনলেন শরৎয়ের বইগুলো পাঠানো হচ্ছে আমার জন্যে, তিনি খুব বেঁকে বসলেন, ‘ওইটুকু ছেলের মাথাটা নষ্ট করে দেবে নাকি।’
জানুয়ারি ০৭, ২০১৯

দিন যায় কথা থাকে
ড্রয়িং রুমটিকে মনে হচ্ছিল সবুজবেষ্টিত চা বাগানের বাংলো বাড়ির কোনো লন। প্রকৃতির আলো-হাওয়া বাঁধাহীনভাবে খেলে যাচ্ছে ঘরে। শহুরে জীবনের নামে বেবিট্যাক্সির বিভীষিকাময় শব্দের অত্যাচার এখানে নেই, বরঞ্চ কান পাতলে শোনা যায় পাখিদের কথা।
ডিসেম্বর ২৪, ২০১৮